support@marufahmedshuvo.com.bd

+880 1410 440 845

অনেক ব্যবসা আছে যারা বিজ্ঞাপনে হাজার হাজার টাকা খরচ করে,
ভিজিটর আসে… কিন্তু সেলস হয় না।

সমস্যা কোথায়?

সমস্যা বেশিরভাগ সময় ল্যান্ডিং পেজে

ল্যান্ডিং পেজ এমন একটা জায়গা, যেখানে ভিজিটর এসে সিদ্ধান্ত নেয়—
👉 “আমি এই বিজনেসের সাথে যোগাযোগ করবো, নাকি চলে যাব?”

এই ব্লগে আমরা খুব সহজভাবে জানবো—
একটি হাই-কনভার্টিং ল্যান্ডিং পেজে কোন ১০টি উপাদান থাকলে ভিজিটর কাস্টমারে রূপান্তরিত হয়।

১. পরিষ্কার ও শক্তিশালী হেডলাইন (Clear Headline)

ল্যান্ডিং পেজে ঢুকেই ভিজিটর প্রথম যেটা দেখে, সেটা হলো হেডলাইন।

আপনার হাতে সময় থাকে মাত্র ৩–৫ সেকেন্ড

এই সময়ের মধ্যে হেডলাইন যদি না বলে—

তাহলে ভিজিটর স্ক্রলও করবে না।

ভালো হেডলাইনের বৈশিষ্ট্য:

👉 হেডলাইন মানে বিজ্ঞাপনের বাক্য না,
👉 হেডলাইন মানে ভিজিটরের প্রশ্নের উত্তর।

২. সাবহেডলাইন যা হেডলাইনকে সাপোর্ট করে

হেডলাইনের ঠিক নিচে সাবহেডলাইন থাকে।

এটার কাজ হলো—

অনেক সময় হেডলাইন মানুষকে থামায়,
আর সাবহেডলাইন মানুষকে পড়তে বাধ্য করে।

ভালো সাবহেডলাইন মানে—

“ঠিক আছে, দেখি ভেতরে কী আছে।”

৩. ভিজ্যুয়াল এলিমেন্ট (ইমেজ বা ভিডিও)

মানুষ লেখা পড়ে কম,
দেখে বেশি বোঝে।

একটি হাই-কনভার্টিং ল্যান্ডিং পেজে সাধারণত থাকে:

ভিডিও থাকলে কনভার্শন অনেক সময় ২–৩ গুণ বেড়ে যায়, কারণ:

কিন্তু মনে রাখবে—
ভিজ্যুয়াল যেন অপ্রাসঙ্গিক বা অতিরিক্ত না হয়।

৪. ভিজিটরের সমস্যা স্পষ্ট করে বলা

একটা বড় ভুল অনেকেই করে—
নিজেদের কথা বেশি বলে, কাস্টমারের কথা কম বলে।

হাই-কনভার্টিং ল্যান্ডিং পেজে আগে দেখানো হয়:

যখন ভিজিটর দেখে—

“এই সমস্যাটা তো আমার!”

তখনই সে কানেক্ট হয়।

সেলস শুরু হয় এখান থেকেই।

৫. স্পষ্ট সমাধান ও বেনিফিট

সমস্যা বলার পরের ধাপ হলো—
সমাধান দেখানো।

এখানে শুধু ফিচার না,
বেনিফিট দেখাতে হবে।

ভুল উদাহরণ ❌
“আমাদের ওয়েবসাইট রেসপন্সিভ”

সঠিক উদাহরণ ✅
“আপনার ওয়েবসাইট সব ডিভাইসে সুন্দর দেখাবে, ফলে কাস্টমার হারাবেন না”

ভিজিটর সবসময় ভাবে—
👉 “আমার কী লাভ?”

৬. শক্তিশালী Call To Action (CTA)

CTA হলো ল্যান্ডিং পেজের প্রাণ।

ভিজিটরকে পরিষ্কারভাবে বলতে হবে—
👉 এখন কী করতে হবে?

ভালো CTA উদাহরণ:

খারাপ CTA:

CTA হতে হবে:

CTA ছাড়া ল্যান্ডিং পেজ মানে—
দরজা আছে, কিন্তু হাতল নেই।

৭. সোশ্যাল প্রুফ (Social Proof)

মানুষ একা সিদ্ধান্ত নিতে ভয় পায়।
তাই তারা দেখে—অন্যরা কী করছে।

সোশ্যাল প্রুফ হতে পারে:

এগুলো ভিজিটরের মনে বলে—

“আমি একা না, অন্যরাও করেছে।”

বিশ্বাস = কনভার্শন।

৮. সহজ ও কম ফিল্ডের ফর্ম

ফর্ম যত লম্বা হবে,
কনভার্শন তত কমবে।

একটি হাই-কনভার্টিং ল্যান্ডিং পেজে:

যেমন:

ব্যস।

মনে রাখবে—
আপনি তথ্য চাইছেন, ভিজিটর অনুগ্রহ করছে।

৯. মোবাইল ফ্রেন্ডলি ডিজাইন

আজ ৭০%+ ভিজিটর আসে মোবাইল থেকে।

যদি আপনার ল্যান্ডিং পেজ:

তাহলে সেলস অর্ধেকেরও কমে যাবে।

হাই-কনভার্টিং ল্যান্ডিং পেজ মানেই—
👉 Mobile-first ডিজাইন।

১০. ডিসট্র্যাকশন-ফ্রি লেআউট

ল্যান্ডিং পেজ আর নরমাল ওয়েবসাইট এক জিনিস না।

ল্যান্ডিং পেজে সাধারণত:

যত কম অপশন,
তত সহজ সিদ্ধান্ত।

ডিসট্র্যাকশন কম = কনভার্শন বেশি।

উপসংহার

একটি হাই-কনভার্টিং ল্যান্ডিং পেজ বানানো মানে শুধু সুন্দর ডিজাইন না।
এটা হলো—

আপনার বিজ্ঞাপন তখনই সফল হবে,
যখন ল্যান্ডিং পেজ ভিজিটরকে গাইড করবে।

শেষ কথা একটাই—
ল্যান্ডিং পেজ ঠিক থাকলে, সেলস আপনাআপনি আসবে।